Trusted By 1100+ Happy Clients
We don’t just design clinics; we curate medical spaces that reflect your professionalism, optimize clinical functionality, and elevate patient recovery.
Elevating safety, hygiene, and comfort in every healthcare facility across Dhaka, Chittagong, and beyond.
BY THE NUMBERS
Project Delivered
Years Esperience
Client Satisfaction
























সুস্থতা আর আরামদায়ক চিকিৎসা সেবার জন্য হাসপাতালে শুধু চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন করলেই যথেষ্ট নয়, বরং একটি নিরাময় অনুকূল পরিবেশ (Healing Environment) নিশ্চিত করাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আর এই পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হয় একটি পেশাদার ও হসপিটালের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ইন্টেরিয়র ডিজাইনের মাধ্যমে। সঠিক হাসপাতাল ইন্টেরিয়র ডিজাইন রোগী, চিকিৎসক ও দর্শনার্থীদের মানসিক প্রশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
একটি সম্পূর্ণ হাসপাতালে অসংখ্য কক্ষ থাকে এবং প্রত্যেকটির কাজ ভিন্ন ভিন্ন। তাই একটি সফল হসপিটাল ইন্টেরিয়র ডিজাইন করতে হলে প্রতিটি সেকশনের সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। নিচে একটি আদর্শ হাসপাতালের বিভিন্ন জোনের ডিজাইন গাইডলাইন আলোচনা করা হলো:

আজকের ব্লগে তাই আলোচনা করব, সম্পূর্ণ একটি হসপিটাল ইন্টেরিয়র ডিজাইন কেমন হতে পারে। আলাদাভাবে প্রতিটি ইউনিটের ডিজাইন সম্পর্কেও বিষদ আলোচনা করা হবে। বিস্তারিত জানতে ব্লগটি ভালোভাবে পড়ুন…
হসপিটালের প্রতিটি ইউনিট ডিজাইন আইডিয়া
সাধারণত, একটি হাসপাতাল অসংখ্য ইউনিট এর সমন্বয়ে গঠিত। ভিন্ন ভিন্ন কাজের ভিন্ন ভিন্ন ইউনিটের প্রয়োজন পড়ে থাকে। একটি হাসপাতালে যা যা থাকে, তা হলো, কেবিন, ডাক্তার চেম্বার, ICU & CCU, ওয়ার্ড, ব্রেস্ট ফিডিং রুম, অপারেশন থিয়েটার, ওয়েটিং রুম ইত্যাদি। এছাড়া হসপিটালের জন্য সঠিক ফার্নিচার নির্বাচন করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই সেকশনে আমরা প্রতিটি ইউনিট ডিজাইন সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরছি।

ডিজাইন আইডিয়া:
কালার সাইকোলজি: দেয়ালে শান্ত ও স্নিগ্ধ রঙ (যেমন: হালকা সবুজ, লাইট ব্লু, বা অফ-হোয়াইট) ব্যবহার করা, যা রোগীর মানসিক চাপ কমায়।
প্রাকৃতিক আলো ও বাতাস: পর্যাপ্ত বড় জানালার ব্যবস্থা রাখা, যাতে প্রাকৃতিক আলো প্রবেশ করতে পারে।
সুরক্ষা ও হাইজিন: মেঝেতে নন-স্লিপ ফ্লোরিং এবং দেয়ালে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও সহজে পরিষ্কারযোগ্য পেইন্ট ব্যবহার করা।
স্মার্ট ইউটিলিটি: বেডসাইড কন্ট্রোল প্যানেল, রিডিং লাইট, নার্স কলিং সিস্টেম এবং বিনোদনের জন্য একটি মনিটর বা টিভি রাখা।
অ্যাটেন্ডেন্ট কমফোর্ট: রোগীর আত্মীয় বা সহায়তাকারীর জন্য আরামদায়ক সোফা-কাম-বেড বা রেক্লাইনারের ব্যবস্থা করা।
উদ্দেশ্য: রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষা এবং একটি আস্থাশীল পরিবেশ তৈরি করা।
ডিজাইন আইডিয়া:
এরগনোমিক্স: চিকিৎসকের জন্য আরামদায়ক এক্সিকিউটিভ চেয়ার ও পরিচ্ছন্ন এর্গোনোমিক ডেস্ক স্থাপন।
স্পেস প্ল্যানিং: চিকিৎসকের টেবিল থেকে রোগীর বসার স্থানটি এমনভাবে নির্ধারণ করা, যাতে পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় থাকে আবার আলোচনাও সহজ হয়।
স্মার্ট স্টোরেজ: চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ফাইলপত্র গুছিয়ে রাখার জন্য দেয়ালঘেঁষা ওয়াল-মাউন্টড ক্যাবিনেট বা ড্রয়ার ইউনিট যুক্ত করা।
ডিজিটাল ইন্টিগ্রেশন: রোগীর রিপোর্ট, এক্স-রে বা ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন শেয়ার করার জন্য ডেস্কে বা দেয়ালে স্ক্রিন/ডিসপ্লে স্থাপন।


উদ্দেশ্য: সংকটাপন্ন রোগীর জন্য প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ; তাই এখানে সর্বোচ্চ মনিটরিং ও সংক্রমণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা।
ডিজাইন আইডিয়া:
ভিজ্যুয়াল এক্সেস: নার্সিং স্টেশন থেকে যেন প্রতিটি রোগীকে সরাসরি দেখা যায়, সেজন্য প্রতিটি বেডের মাঝে টাফেনড গ্লাস পার্টিশন ব্যবহার করা।
ইনফেকশন কন্ট্রোল: সম্পূর্ণ হসপিটাল-গ্রেড অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও জয়েন্টলেস ভিনাইল ফ্লোরিং ব্যবহার।
অ্যাডভান্সড ভেন্টিলেশন: সার্বক্ষণিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং জীবাণুমুক্ত বাতাস নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত HVAC ও এয়ার ফিল্টারিং সিস্টেম।
সেন্ট্রাল ইউটিলিটি: প্রতি বেডের সাথে মেডিকেল গ্যাস পাইপলাইন, অক্সিজেন, সাকশন এবং পর্যাপ্ত পাওয়ার সোর্সসহ ইন্টিগ্রেটেড বেড-হেড প্যানেল স্থাপন।
উদ্দেশ্য: একসাথে একাধিক রোগীর জন্য কার্যকর, স্বাস্থ্যকর এবং বাজেট-ফ্রেন্ডলি চিকিৎসা পরিবেশ তৈরি করা।
ডিজাইন আইডিয়া:
প্রাইভেসি ও স্পেসিং: এক বেড থেকে অন্য বেডের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড দূরত্ব (কমপক্ষে ৬ ফুট) বজায় রাখা এবং প্রাইভেসি ট্র্যাকিং কার্টেনের (পর্দা) ব্যবস্থা করা।
কালার থিম: ওয়ার্ডের দেয়ালে সাদা ও হালকা সবুজের কম্বিনেশন ব্যবহার করা, যা ওয়ার্ডের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ফুটিয়ে তোলে।
সহজে পরিষ্কারযোগ্য মেঝে: প্রতিদিন একাধিকবার ট্রলি মুভমেন্ট ও জীবাণুনাশক ব্যবহারের উপযোগী অ্যান্টিসেপটিক ইপোক্সি বা ভিনাইল ফ্লোরিং।


উদ্দেশ্য: একসাথে একাধিক রোগীর জন্য কার্যকর, স্বাস্থ্যকর এবং বাজেট-ফ্রেন্ডলি চিকিৎসা পরিবেশ তৈরি করা।
ডিজাইন আইডিয়া:
প্রাইভেসি ও স্পেসিং: এক বেড থেকে অন্য বেডের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড দূরত্ব (কমপক্ষে ৬ ফুট) বজায় রাখা এবং প্রাইভেসি ট্র্যাকিং কার্টেনের (পর্দা) ব্যবস্থা করা।
কালার থিম: ওয়ার্ডের দেয়ালে সাদা ও হালকা সবুজের কম্বিনেশন ব্যবহার করা, যা ওয়ার্ডের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ফুটিয়ে তোলে।
সহজে পরিষ্কারযোগ্য মেঝে: প্রতিদিন একাধিকবার ট্রলি মুভমেন্ট ও জীবাণুনাশক ব্যবহারের উপযোগী অ্যান্টিসেপটিক ইপোক্সি বা ভিনাইল ফ্লোরিং।
উদ্দেশ্য: মায়েদের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ, আরামদায়ক ও সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি স্থান নিশ্চিত করা।
ডিজাইন আইডিয়া:
অ্যাকোস্টিকস: রুমটি যেন বাইরের শোরগোল থেকে মুক্ত থাকে, সেজন্য সাউন্ডপ্রুফিং বা ডাবল-গ্লেজড ডোর ব্যবহার করা।
আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা: মা ও শিশুর শারীরিক আরামের জন্য কুশনযুক্ত সোফা বা মেটারনিটি রেক্লাইনার চেয়ার।
প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি: হ্যান্ড স্যানিটাইজার ডিপেনসার, ডায়াপার চেঞ্জিং টেবিল এবং মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখার জন্য ছোট লকার বা ক্যাবিনেট।


উদ্দেশ্য: শতভাগ জীবাণুমুক্ত, নিয়ন্ত্রিত এবং আন্তর্জাতিক মানের সার্জারি পরিবেশ তৈরি করা।
স্টেরাইল জোনিং: ওটি-কে স্টেরাইল, সেমি-স্টেরাইল এবং নন-স্টেরাইল—এই তিন জোনে নিখুঁতভাবে বিভক্ত করা।
এয়ার প্রেসার কন্ট্রোল: বাইরের ধুলোবালি ও জীবাণু ভেতরে আসা রোধ করতে পজিটিভ প্রেসার এবং Laminar Air Flow (LAF) সিস্টেম ব্যবহার করা।
ঝরঝরে আলো: শ্যাডো-লেস (ছায়াহীন) হ্যান্ড-ফ্রি অপারেটিং থিয়েটার লাইট এবং সম্পূর্ণ ওয়াশেবল দেয়াল প্যানেলিং।
উদ্দেশ้: রোগীর স্বজন বা দর্শনার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার ক্লান্তি ও মানসিক উদ্বেগ দূর করা।
ডিজাইন আইডিয়া:
বসার বিন্যাস: পর্যাপ্ত ও আরামদায়ক লাউঞ্জ সিটিং বা গ্যাং চেয়ারের ব্যবস্থা, যেখানে চলাচলের জন্য প্রশস্ত প্যাসেজ থাকবে।
ডিজিটাল নেভিগেশন: সিরিয়াল নম্বর, ডক্টর শিডিউল এবং হাসপাতালের দিকনির্দেশনা দেখানোর জন্য বড় ডিজিটাল ডিসপ্লে স্ক্রিন।
বায়োফিলিক ডিজাইন: মানসিক প্রশান্তি আনতে ইনডোর প্ল্যান্টস, ওয়াটার ফাউন্টেন বা দেয়াল জুড়ে সুন্দর আর্টওয়ার্কের ব্যবহার।

সাধারণ রেসিডেন্সিয়াল বা কমার্শিয়াল ডিজাইন থেকে হাসপাতালের ডিজাইন সম্পূর্ণ ভিন্ন। একটি মেডিকেল স্পেস ডিজাইনের সময় নিচের নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়:
স্যানিটেশন ও হাইজিন (Hygiene First): কোনো খাঁজ বা কোনা রাখা যাবে না যেখানে ধুলো বা জীবাণু জমতে পারে। প্রতিটি কর্নারে ‘কোভিং’ (Coving) ব্যবহার করতে হবে।
স্মুথ সার্কুলেশন (Functional Layout): স্ট্রেচার, হুইলচেয়ার এবং ক্র্যাশ-কার্ট যেন কোনো বাধা ছাড়াই দ্রুত এক ইউনিট থেকে অন্য ইউনিটে মুভ করতে পারে, সেই স্পেস প্ল্যানিং করা।
অ্যাকোস্টিক কন্ট্রোল (Silence): হাসপাতালের শান্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সিলিং ও দেয়ালে সাউন্ড-অ্যাবজরবিং ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা।
ইমারজেন্সি ও ফায়ার সেফটি: প্রতি ফ্লোরে স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম, ফায়ার রেটেড ডোর, স্মোক ডিটেক্টর এবং স্পষ্ট নেভিগেশনসহ ‘ইমারজেন্সি এক্সিট’ নিশ্চিত করা।
স্থায়িত্ব ও মেডিকেল-গ্রেড ম্যাটেরিয়াল: হাসপাতালের ফার্নিচার ও কাউন্টারে এমন স্ক্র্যাচ-প্রুফ ও কেমিক্যাল-প্রুফ ম্যাটেরিয়াল (যেমন: সলিড সারফেস বা অ্যাক্রিলিক) ব্যবহার করা, যা তীব্র ফিনাইল বা অ্যালকোহল দিয়ে মুছলেও নষ্ট হয় না।
হাসপাতাল বা ল্যাবরেটরি ইন্টেরিয়র ডিজাইন কেবল নান্দনিকতার বিষয় নয়—এটি একটি অত্যন্ত জটিল ও মানবিক চিকিৎসাব্যবস্থার টেকনিক্যাল অংশ। একটি সঠিক ডিজাইন হাসপাতালের সেবার মান বাড়িয়ে দেয়, চিকিৎসকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করে এবং রোগীর মনে আস্থা জাগায়।
তাই নতুন হাসপাতাল নির্মাণ কিংবা পুরোনো ক্লিনিক রিনোভেশনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (যেমন: BNBC এবং চিকিৎসা নীতিমালা) বোঝে এমন অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র ফার্মের সহায়তা নেওয়া জরুরি। আপনার হাসপাতালের বাজেট, স্পেস ও রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী একটি ফিউচার-রেডি এবং কমপ্লায়েন্ট মেডিকেল স্পেস তৈরিতে প্রফেশনাল ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের পরামর্শ নিন।
অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিন: হসপিটাল ইন্টেরিয়র ডিজাইন কেবল সৌন্দর্যের বিষয় নয় – এটি একটি কার্যকর ও মানবিক চিকিৎসা ব্যবস্থার অংশ। পেশাদার ডিজাইন স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ায়, রোগীর আস্থা গড়ে তোলে এবং সার্বিকভাবে সেবার অভিজ্ঞতা উন্নত করে। তাই নতুন হাসপাতাল নির্মাণ কিংবা রিনোভেশনের সময় অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের সহায়তা নেওয়া আবশ্যক। Identity Creations Ltd, বাংলাদেশের অন্যতম অভিজ্ঞ ও দক্ষ আর্কিটেকচারাল এবং ইন্টেরিয়র ডিজাইন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আপনাকে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল স্পেস ডিজাইনিং সলিউশন।
হসপিটাল ইন্টেরিয়রের প্রধান লক্ষ্য হলো রোগী, চিকিৎসক ও স্টাফদের জন্য নিরাপদ, আরামদায়ক ও কার্যকরী একটি পরিবেশ তৈরি করা।
হসপিটালে শান্ত ও স্নিগ্ধ রঙ যেমন—হালকা সবুজ, লাইট ব্লু (নীল), অফ-হোয়াইট এবং হালকা গ্রে (ধূসর) রঙ ব্যবহার করা উচিত। এই রঙগুলো রোগীর মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে এবং চোখের প্রশান্তি দেয়।
হসপিটালের ওয়েটিং এরিয়া হওয়া উচিত পর্যাপ্ত প্রশস্ত এবং সুপরিসর, যেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা করা যায়। এতে ডিজিটাল ডিসপ্লে (সিরিয়াল ও তথ্যের জন্য), ভালো কুলিং সিস্টেম, পর্যাপ্ত আলো এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য ইনডোর প্ল্যান্টস বা আর্টওয়ার্ক থাকা জরুরি।
হসপিটালে প্রাকৃতিক আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত। পাশাপাশি কৃত্রিম আলোর ক্ষেত্রে চোখের জন্য আরামদায়ক এবং ছায়াহীন (Shadow-less) অ্যান্টি-গ্লেয়ার এলইডি লাইট ব্যবহার করা উচিত। ওটি বা ল্যাবের মতো বিশেষ জায়গায় হ্যান্ড-ফ্রি ও হাই-ইনটেনসিটি মেডিকেল লাইট এবং ওয়ার্ড বা কেবিনে ডিমেবল বা রিডিং লাইটের ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।














































































INSTANT ESTIMATE
Get a transparent ballpark interior design price per sqft Bangladesh figure for your space — apartment, office, restaurant, hospital or showroom. Pick your finish level, drag the area slider and see an instant BDT estimate based on real project data. Final itemized BoQ is shared after a free on-site survey in Dhaka.
Standard / sqft
Luxury / sqft
We specialize in designing and constructing specialized medical environments, from state-of-the-art hospitals to modern clinics. Our layouts prioritize hygiene, compliance, patient comfort, and smooth healthcare operations with tailored turnkey solutions.
Compare listings
ComparePlease enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.